image description

Gangasagar


যারা এখনও গঙ্গাসাগর যাননি বা যেতে চান তাদের জন্য কয়েকটি তথ্য
* যদি লট-৮ হয়ে যেতে চান তারা ভেসেল পারাপারের জন‍্য - ভাটার সময় দেখে যাবেন বা গঙ্গাসাগর থেকে ফেরার সময় ও কথাটা মাথায় রাখবেন, সেইমতো ঘোরার সময় ঠিক করবেন।
* তবে নামাখানা দিয়ে ও লঞ্চের মাধ্যমে যাওয়া যায় কিন্তু যথেষ্ট যাত্রী না হলে পারাপারে  বিলম্ব হয়।
* এখন নদীতে চড়ার কারণে লট-৮ র ৪ নং জেটি থেকে ভেসেল পারাপার হচ্ছে, তাই আপনারা ১ নং জেটির পাশ দিয়ে নদীর ধার ধরে হেঁটে যেতে পারেন না হলে টোটো তো আছেই ১০ টাকা নেবে জন প্রতি ( দামাদামি করে একটু কমাতেও পারেন)।
* ভেসেল ভাড়া ৮ টাকা জন প্রতি।
* মুড়ি গঙ্গা পেড়িয়ে কচুবেড়িয়াতে বাসে ২০ টাকা ভাড়া ৪০ মিনিট লাগবে, আর যদি ম‍্যাজিক গাড়িতে  শেয়ারে যান এক ই ভাড়া কিন্তু  অনেক দরদাম করে সময় প্রায়ই ১ ঘন্টা নেয় এছাড়াও এমনি গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়।
* সাগরে ভারতসেবাশ্রমে থাকতে পারেন খুবই কম খরচ  একরাত্রি ৩০০ টাকা নিয়েছে ৫ জনে, ওখানে নিরামিষ খেতে চাইলে সকাল ৮ টায় কূপন পাবেন । থাকার জন্য চাদর আনবেন (যদিও ওখান থেকে দেওয়া হয়) ও মশা প্রতিরোধক নেবেন সঙ্গে। জল কষ্ট নেই।
        এছাড়াও ৩-৪ টে আশ্রম যেমন কপিলমুনির আশ্রম, ওঁঙ্কারনাথ আশ্রমে থাকার ব্যবস্থা আছে।
হোটেল আছে কয়েকটি ....

*খাওয়ার একটি ভালো হোটেল 'ফুডকোট' রাজ‍্য সরকারের, মন্দিরের পাশেই সব্জি ভাত  ৭০, মাছ ভাত  ১৩০ সঙ্গে দুইরকম তরকারি ডাল স‍্যালাড চাটনি পাঁপড় ভাজা, মাংস ভাতও আছে, 
সকালের টিফিন, দুপুরের ও রাতের খাবার পাবেন, 
এখানে রাতে রুটি পাবেন সব্জীর প্লেট ২০ টাকা, মাংস ৪ টুকরো ৫০ টাকা।
 এছাড়া আরও অনেকগুলি খাওয়ার হোটেল আছে।
* তবে এখানে টোটো ও ভেন ভাড়া একটু বেশি সল্প দূরত্বেই ২০ টাকা ভাড়া নেয় একটু বুঝে উঠুন।
* সন্ধ্যাবেলা সমুদ্র সৈকতে পা ছড়িয়ে বসে আড্ডা, সঙ্গে বাদাম চানাচুর  আর বসার প্লাস্টিক নিয়ে নিন। 
*সমুদ্রতটে বসার জন্য চেয়ার পাবেন ২০ ভাড়া, তবে সন্ধ্যার পর আর পাওয়া যায়নি
* পোষাক পরিবর্তনের জন্য  তটে কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ ত্রিপলের তৈরি ঘর ( cleaning room) দেখেছি। তবে যাচাই করে ব্যবহার করুন।
* পরের দিন ভোরের সূর্যোদয় দেখুন ও প্রাণ ভরে বাতাস নিন।
* ঢেউর মজা পেতে গেলে পূর্ণিমা বা অমাবস্যায় যান।
* এখানে পরিবারের কারোর মৃত্যুর পর বাৎসরিক কাজও অনেকেই করেন। তার জন্য ব্রাহ্মণকে ৭০০ টাকা দক্ষিণা দিতে হবে। ওনাদেরকে সকাল থেকেই সমুদ্রতটে পেয়ে যাবেন।
* ফেরার বাসস্ট্যান্ড ১ জুন ২০১৮ থেকে পুরনো বাসস্ট্যান্ড থেকে একটু সামনের দিকে এগিয়ে এসেছে।
(*ভ্রমণের তারিখ ৩১.০৫.২০১৮-১.০৬.২০১৮)

ভ্রমণ করুণ আনন্দের সঙ্গে কিন্তু পরিবেশ পরিষ্কার রাখুন ও দায়িত্ববান পর্যটক হয়ে উঠুন।